মনের মত সিঁড়ি…

লিফট ব্যবহার করলে সিঁড়ির ব্যবহার হয় কম কিন্তু অনেকেরই ঘরে ঢোকার সময় পাড়ি দিতে হয় একতলা বা দোতলা সিঁড়ি। আবার ডুপ্লেক্স বাড়িতেও দুটি ভিন্ন তলার সংযোগ ঘটে সিঁড়িতে। তাই আপনার হাতে সাজানো শখের বাড়ি আরও একটু নান্দনিকতার ছোঁয়া পেতে পারে সিঁড়ির সুন্দর সাজে। আপনার সামান্য প্রচেষ্টায় পুরো ঘরের চেহারা পাল্টে যাওয়া সম্ভব। ঘরটাও হয়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দন। আপনার সিঁড়ির এই ছোট জায়গার সাজ কতটা সুন্দর হবে তা নির্ভর করছে আপনার শৈল্পিক রুচিবোধের ওপর। কিন্তু ঘর সাজানোর নানা উপকরণের সামঞ্জস্য রক্ষা করাটাও দারুণ ভাববার বিষয়। তাই আসুন সিঁড়িকে মনের মত রূপ রঙে সাজাতে কিছু উপায় জেনে নেয়া যাক…

প্রিয় অনুষঙ্গ

সিঁড়ির সাজে নিজের রুচির বহিপ্রকাশ ঘটাতে দুটি পটারি ব্যবহার করতে পারেন। আর সিঁড়ি যদি বাঁকা বা সর্পিল আকারে হয় তাহলে এর পাশের দেয়ালে দুটি বা একটি বড় পেইন্টিং ব্যবহার করুন। ওয়াল পেপার দিয়েও সিঁড়ির উপরে আর নিচে সাজিয়ে নিতে পারেন। পেছনের দিকে কিছুটা অংশে রঙিন কাঁচ দিতে পারেন। যাতে বাইরের আলোতে জায়গাটি নান্দনিক দেখায়। বড় আকারের একটি গোলাকার মাটির পটারির মধ্যে পানি রেখে তার ওপর ফুলের পাপড়ি আর মোম রাখা যেতে পারে। সিঁড়ির মধ্যে একটু দূরে দূরে ছোট টব রাখলে ভালো দেখায়। ছোট ছোট ফুলের টব জায়গাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

আলোর খেলা

নানা রঙের আলোর ব্যবহার যেকোনো জায়গাকে অন্যরকম রূপ দেয়। সিঁড়িকে হাইলাইট করা যেতে পারে স্পট লাইটের সাহায্যে। তাই বলে খুব বেশি লাইট ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি সিঁড়ির নিচের দিকে একটি করে স্পট লাইট দেওয়া যেতে পারে। পেইন্টিঙের ওপর একটি ছোট স্পটলাইট ব্যবহার করা যেতে পারে, এতে পেইন্টিং স্পষ্ট হয়, ছবিটিও দূর থেকে দেখা যায়। মনে রাখতে হবে, ঘরের অন্য জায়গার সঙ্গে এই আলোর যেন সামঞ্জস্য থাকে। কোথাও হালকা আলো আবার কোথাও বেশি আলোর লাইট ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিছু কিছু জায়গা বেশি হাইলাইট হবে।

সিঁড়ির নিচে..

সিঁড়ির নিচে আপনি চাইলে একটা ছোটখাটো পাঠাগার বানাতে পারেন। সেলফের মধ্যে পছন্দের বই রাখুন। আবার শোকেসও বানাতে পারেন। এক্ষেত্রে শোপিস রাখার জায়গা তৈরি করতে পারেন। শোপিসের মধ্যেও স্পটলাইট থাকতে পারে। এতে শোপিসগুলো আরো ফুটে উঠবে এবং জায়গাটি রঙিন মনে হবে। এছাড়া চাইলে আপনি সেখানে ডিভানও রাখতে পারেন। ছোটছোট সোফা সাজিয়ে দিতে পারেন বিভিন্ন রঙের কুশন দিয়ে।