মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপিত

মোস্তফা ইমরান, মালয়েশিয়া

দোয়া মাহফিল ও কেক কেটে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করেছে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ। রবিবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে রাজধানী কুয়ালালামপুরের অভিজাত এলাকা বুকিত বিনতাং এর আল খায়ের রেস্টুরেন্টে প্রধানমন্ত্রীর ৬৯তম জন্মদিন পালন করে দলটির নেতাকর্মীরা।

এসময় মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রিয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করতে মধ্যরাতে দুরদুরান্ত থেকে কুয়ালালামপুরে ভীড় জমান তারা। মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, শাহীন সরদার, মাহতাব খন্দকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক, আওয়ামী লীগ নেতা এ কামাল চৌধুরী, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, শফিকুর রহমান চৌধুরী, শ্রী প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, সদস্য মিনহাজ উদ্দিন মিরান, মালয়েশিয়ায় নবগঠিত কৃষকলীগের আহ্বায়ক কমটির সদস্য মো: গাফরান শেখ ও শেখ তুহিন, যুবলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক মনসুর আল বাশার সোহেল, বিজন মজুমদার, শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক সোহেল বিন রানা, রঞ্জন চন্দ্র ভৌমিক, শাহজাহান, মালয়েশিয়া স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক তারিকুজ্জামান মিতুল, মাসুদ রানা, মালয়েশিয়া ছাত্রলীগের আহ্বায়ক প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির, সৈয়দ মিনহাজুর রহমান, নজরুল ইসলাম খানসহ অনেকে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্মদিনে ছুটে আসেন গোপালগঞ্জ জেলা সমিতি মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি শওকত আলি তিনু, সহ-সভাপতি মো: মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুজ্জামান মিতুল।

এর আগে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য ১৯৪৭ সালের ২৮ অক্টোবর সবুজে শ্যামলে ঘেরা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহন করেন শেখ হাসিনা। বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মা ফযিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্যা এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৫ আগস্টের কালরাতে রাত্রে শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে প্রাণে বেঁচে যান। পরে তিনি ইংল্যান্ডে চলে যান এবং সেখান থেকে ১৯৮০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার সময় তিনি নয়াদিল্লীতে ছিলেন। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে তিনি ১৭ মে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসেন।

বর্তমানে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড় করাতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনবারের সফল এ প্রধানমন্ত্রী।