এরপর আকাশে উড়ার স্বপ্ন লামিয়ার

প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী এলিজাবেথ লামিয়া। বয়স ছয় বছর। এ বয়সেই সে সব ধরনের মোটরসাইকেল চালনাতে পারদর্শী। শুধু নিজে নয়, সঙ্গে দু-একজনকে নিয়েও সে চালিয়ে বেড়াতে পারে অনায়াসে। অল্প বয়সী এ শিশুর এমন পারদর্শিতায় অবাক হন সবাই। বাবা-মার উৎসাহ ও সাহসেই এতদূর এগিয়েছে বলে জানায় শিশুটি। তার স্বপ্ন বড় হয়ে আকাশে বিমান নিয়ে ওড়বে। সেই বিস্ময় শিশুটি হল যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও শাহনাজ পারভীনের একমাত্র মেয়ে লামিয়া। সে স্থানীয় ফুলকুঁড়ি এডাস কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। এলিজাবেথ লামিয়া জানায়, মোটরসাইকেল চালাতে তার ভয় করে না। বাবার উৎসাহে মোটরসাইকেল চালানো শিখেছে। বড় হয়ে বিমানচালক (পাইলট) হতে চায়।
লামিয়ার বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি তিন বছর বয়সে একটি বাইসাইকেল চালানো শুরু করে। বাইসাইকেল চালনায় পারদর্শী হয়ে উঠলে সাড়ে চার বছর বয়সে তাকে ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল কিনে দেই। সেই মোটরসাইকেলে লামিয়া গ্রামের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো শুরু করে। ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল ভালোভাবে চালানো শিখে যাওয়ায় তাকে মোটরসাইকেল দেয়া হয়। মাত্র সাড়ে ৫ বছর বয়সে আয়ত্ত করে ফেলে জটিল গিয়ারের সব ধরনের মোটরসাইকেল। তবে ছোট হওয়ায় মোটরসাইকেল চালু (স্টার্ট) করতে পারে না। মোটরসাইকেল চালু করে দিলে সে অনায়াসে চালিয়ে বেড়াতে পারে। ছয় বছরের লামিয়া এখন পুরোপুরি চালক। তার ইচ্ছাশক্তি ও আগ্রহেই এমন অসম্ভব সম্ভব হয়েছে। সূত্র : যুগান্তর