লায়ন লিও

দিল্লি-ক্রিকেটের সবথেকে বড় দুই তারকার সমর্থন পেলেন ডিডিসিএ-র প্রাক্তন সভাপতি অরুণ জেটলি। সহবাগ এবং গম্ভীর— দু’জনেই অরুণ জেটলিকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, ডিডিসিএ-তে অরুণ জেটলির মেয়াদে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় ছিল।

তাই শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্সা-তারকার নতুন নামকরণ হল ‘লায়নেল’…

মারাদোনাই তাঁর একমাত্র প্রেরণা, বলে দিলেন মেসি

ফুটবলে তাঁর একমাত্র অনুপ্রেরণার নাম দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা। রবিবার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্তিনার এক সংবাদপত্রে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করেছেন লিওনেল মেসি। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি কিন্তু সেভাবে কাউকেই অনুকরণ করিনি। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে যখন ফুটবল ব্যাপারটা বুঝতে শুরু করি, তখন থেকে মারাদোনা একমাত্র প্রেরণা।’’

তাঁর খেলার স্টাইলের সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীরা  মারাদোনার সাদৃশ্য খুঁজে পান। মেসিও মেনে নিয়েছেন সেই সাদৃশ্য খুবই সঙ্গত। তিনি বলেছেন, ‘‘১৯৯৩ সালে দিয়েগো যখন স্পেন থেকে ফিরে যোগ দেন নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবে, তখন থেকেই ওঁর প্রতি আমার আগ্রহ বেড়ে যায়। সেখান থেকে মারাদোনা যোগ দেন আর্জেন্তিনা জাতীয় দলে। আমাকে যদি কেউ অনুপ্রাণিত করে থাকেন, তিনি আর কেউ নন। দিয়েগো মারাদোনা।’’

দিয়েগোকে দেখে ফুটবল শিখেছেন লিও।-ফাইল চিত্র

দিয়েগোর প্রেরণা ছাড়াও ওই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে তাঁর আকাশছোঁয়া খ্যাতির প্রসঙ্গও। কিন্তু মেসি জানিয়েছেন, মাঠে এবং মাঠের বাইরের জীবনে এমন এক ভারসাম্য তৈরি করেছেন যার ফলে এই সাফল্য তাঁকে নিজস্ব ভাবনা থেকে বিচ্যূত করতে পারেনি। মেসি বলেছেন, ‘‘আমি সমস্ত সময় ফুটবল খেলাটাকে উপভোগ করি। যেটা করতে আমি সবচেয়ে বেশি ভালবাসি। আমি স্বপ্ন দেখি ফুটবল নিয়ে এবং যতদিন সম্ভব খেলে যেতে চাই।’’ কিন্তু ফুটবলের পিছনে অহরহ ছুটে বেড়ানোও তাঁর পছন্দ নয়। মেসির মন্তব্য, ‘‘আমি কিন্তু ফুটবলের প্রতি মোহগ্রস্ত নই। আমি মনে করি, তার বাইরেও একটা বড় জীবন রয়েছে এবং সেখানেও কিছু দায়িত্ব রয়েছে আমার।’’ সেই কারণে ফুটবল থেকে অবসর পেলে পরিবার নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়েন।

লিও বলেছেন, ‘‘অন্যদের মতো আমিও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই। সময় পেলে পরিবারের সদস্য অথবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাই। ওদের সঙ্গে সময় কাটানোরও একটা বিশেষ মজা রয়েছে।’’ সেখানেই না থেমে মেসি আরও বলেছেন, ‘‘আমি ফুটবল খেলি মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য। তাঁরা যাতে ফুটবলের খুঁটিনাটি নিয়ে গোটা সপ্তাহ আলোচনা করতে পারেন, সেই চেষ্টা করি। এবং তার জন্য আমি প্রত্যেকের কাছেই কৃতজ্ঞ।’’

এদিকে, রবিবার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালে রিভারপ্লেটের বিরুদ্ধে মেসি এবং নেমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়রের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন বার্সেলোনা ম্যানেজার লুইস এনরিকে। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে এনরিকে বলেছেন, ‘‘মেসি এবং নেমার দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে। টিমের সঙ্গে প্র্যাক্টিসও করেছে। আমার ধারণা, রবিবার ওদের পেয়ে যেতে পারি।’’ যোগ করেছেন, ‘‘ফুটবলাররা এই ট্রফি জেতার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। মরসুমের সেরা দল হিসাবে বার্সেলোনাকে প্রতিষ্ঠিত করতে আমিও মরিয়া।’’