রাগীব হাসান-এর একগুচ্ছ কবিতা

The_Last_Grand_Tour--9

মাতৃসদনের দেবদারু

সেই  রক্তাভ সন্ধ্যা গড়িয়ে পড়লো, তার পা ছিল কাঠের।
বিদেশি ভাষার কোনো রচনা লেখা ছিল যা তামাটে
মুখই বহন করছিল?
ঘর আমাদের বরাবরই ডেকেছে, উপযোগী নির্মাণ বাসনা
নিয়ে এসেছে গুপ্ত হলুদ করোটির কাছে_
সোনালি নরক কখনোই ভয় পাইনি, জামের বনে অগণন
পালক দেখে দ্রাক্ষার উৎপত্তির কাছে ছুটে গেছি।
হে শ্বেতমাতা_ নগর তোমার ভালো লাগে না। উড়তে চাও_
গ্রীষ্মের বাতাসে, ভস্ম যে আকাশ তার প্রতিলিপি ছড়িয়ে পড়ছে_
তোমার পায়ের রক্ত ঘুমে_
সেই বিমর্ষ সন্ধ্যা গড়িয়ে পড়লো চোখের সামনে, কিশোরীর হাত থেকে
লন্ড্রি করা কাপড় গলে পড়লে সন্ত্রস্ত হয় অন্য চোখগুলো,
মাতৃসদনকে ভালোবেসে মাতৃসদনের দেবদারুর চূড়ায়
ঘুঘু পাখিকেও ভালোবাসি, অমসৃণ ছিল আমার পোশাক_
তবু খুঁজছি জলযান, সমুদ্র, অসংখ্য মানুষের মধ্যে হারিয়ে গিয়ে
রক্তিম বেলুনটি খুঁজে আনতে চাইছি।
100-hand-paint-high-quality-abstract-music-paintings-wall-art-abstract-music-painting-decoration-unique-gift
রাজহাঁসের যৌনতার ইতিহাস

কৃতাঞ্জলী_ অনুষঙ্গ ছিল জ্বলমান জাহাজের ডুবে যাওয়ার পরে
তার হাড়ে হিম বসে থাকলো, আমার মস্তিষ্কে কোন দৃশ্যকল্প
ছিল তা আবিষ্কৃত হলো, ঝাউবন জানলো দগ্ধ আলো ছিল।
পুরস্কারের লোভে কয়েক ক্রোশ গিয়েছি, নীলাভ রাত্রি বলল_
চূর্ণ-বিচূর্ণ তোমার মুখ। তরমুজ বনের শীতের কাহিনি জেনে আসো।
বিস্ফার ভালোবাসিনি তবু আয়নায় খসে পড়লো কুয়াশা_
সেই দূরপথ হেঁটে যাওয়াই ছিল মনোবিদ্যার সরণী, আর
ঘুমের ভেতর শেখা হলো_ রাজহাঁসের যৌনতার ইতিহাস।

 

images--77
সাবানে ধুয়ে ফেলো পা দুখানি

ওই গান জলেই ভিজে আছে_ অনুকীর্তি মান্য বলে কোথাও
চিহ্ন রেখে এসে সাবানে ধুয়ে ফেলো পা দুখানি।
বাগান অমনই আছে_ ভৌতিক মাঠ ও রক্তমু- ভুলেও স্মরণে আসে না?
ওই গান বৃষ্টিতেই ভিজে আছে, যতদূর সম্ভব আমি তার
যত্নলালিত্য করি, পুস্তকের জ্ঞান আলোমুখে বেড়াতে যায়, বকুল_
তুমি পাহারায় থাকো কী? রক্ত সংঘর্ষের ঘটনার বর্ণনা আমি চাইনি।
নব-আবিষ্কারে আমাদের মন ভরে ওঠে। পরিখার কমলা রঙ দরজা_
দুপুরের ধাতবমুখ বাগানের ভৌতিক কাহিনিই বলে চলে।

 

3705e908f2d5dd5a2320ad3c9910f128

বহু ভাষায় অনুবাদ করি

হৃদয়ে যে রূপকথা গুঞ্জন করে ওঠে, তার প্রতিভাস সমুদ্র
থেকে উঠে আসে, কত বছর আগে রূপকথা সমুদ্র তলায়
সাঁতার কেটেছে? তার লাবণ্য সমুদ্র জলকে করেছে শাদা।

লোহার কারখানার আগুন, বৃষ্টিস্নাত আমাদের শৈশব, বাগান
সবই অন্তরীপে অত্যুজ্জ্বল এনেছিল, সিনেমা হলের কাউন্টারে
দাঁড়িয়ে শরীর ঘর্মাক্ত হয়ে উঠেছিল, জামকাঠের ঠাণ্ডা তার বুকের
দুটি শাদা পৃষ্ঠায় কে  লিখল রচনা? রহস্য উপন্যাস অনেক
চুম্বক পটভূমিকা এনে দিয়েছে। গ্রহবীজকে আমরা ভালোবেসে_
বৃষ্টির বহু ভাষায় অনুবাদ করি_
সেই বাগান ঘন শ্বাসে ভরে ওঠে। লালমিশ্রিত ফলে কার হাত পড়ে?
হলুদ রাক্ষসের চোখ দরজা পর্যন্ত এসে পড়ে।
অগ্নি উপাসক জানে_ আগুনের স্তরভেদ।
শীতঋতু হাওয়ায় ঝলমল করে ওঠে প্রতিকৃতি, পুকুরের ঢেউ।
images-777777
প্রত্নলিপি

সেতুর পাশে দোকানের কাছে দাঁড়িয়ে দেখা হলো
ওই যে পরিত্যক্ত লোকশেড_ লতাগুল্ম নিয়ে পড়ে আছে,
এখানে একদিন লোহার প্রতিধ্বনি পাওয়া যেত_
তোমরা গোলক হয়ে বসে থাকা থেকে উঠে গেলে_
সেতুর তলার ভোরের শান্ত জল সামান্য ফণা তুলছে,
কে দেখে তা কে দেখে
এখানে অনেক গম্ভীর প্রত্নলিপি খুঁজে পাওয়া গেল
কখনো জীবন হয় কী ভোরবেলা অপ্রাচীন_
সূর্য লেলিহানে সব সূক্ষ্মতা অস্থিতিশীল হয়ে পড়লো
আমি গানের শরীরে পদ্ম ফুটে উঠতে দেখলাম
রাঙা সকাল_ বাড়ি ফিরে যাও, নির্মম রঙিন
হলো কেন? বইয়ে পড়া স্বপ্নব্যাখ্যা ঘুম থেকে
জেগে উঠে নিজের দেখা স্বপ্ন মিলিয়ে দেখি
উড়ন্ত বিমানে বসে কাচের জানালা দিয়ে দুপুরের রঙ বোঝা যায় কতটা?
শীত_ প্রচণ্ড  নেমে এসেছে_  রাত্রি জাগরণে বাধা দেয়।
গ্যাসচালিত লাইট চোখে  কোন যান গড়িয়ে পড়ে
পাহাড়ের সড়ক থেকে হ্রদে।
আমার সঙ্গে চলমান ধাতুমোড়ানো  মহিষটির শিঙ কেঁপে ওঠে, মহিষের বড়
স্ফুর্তি ছিল, রাজার ছেলে কোথায় থাকে_ রাজ্য যদি
ফিরে আসে আবার জল থেকে, রচনা আকাশশিখরে
নাচগান করছে। তা ওকে করতে দাও, সঙ্গিনী যেহেতু
স্ফুতমান  ডানা থেকে ঝরায় লাবণ্য।

famous_abstract_art_hd_image-800x800
আরো শাদা রাত্রির দিকে

আমি বিদ্যুতের রাতে তার সঙ্গে বহু প্রাচীন কাহিনি নিয়ে
আলোচনা করছিলাম। আমাদের সব উজ্জ্বল প্রন্থগুলি
সমুদ্রের বাতাস ছড়াচ্ছিল, সমুদ্রডানা এসে চিন্তায় রেখে গেল
তরল জাতীয় পানীয়।
পশ্চিম দিক থেকে নেমে এলো শক্ত পোশাকের সৈনিকরা, দিকশূন্য
দৌড় ছিল পিতাদের, মাতাদের, কোথায় লুকাবে, গহ্বর কোনখানে?
জলপ্রবাহ দেখে এসেছে পিতা-পিতামহরা, তার পাড় ছিল বিশাল, ঝুরঝুরে
বালি ঝরে, বড় বড় বিবর রয়েছে ওতে, সেটাও ভুলে গিয়েছিল।
গমক্ষেতের সবুজ অনুপ্রাপণ, সংঘবদ্ধ লুকালো কেউ কেউ কী?
তবে আশ্রয় দিল সেই বিশাল পাড়গহ্বর, গবাক্ষ, গুহা।
তামাটে রাত্রি, আরো কাহিনি শোনো, শ্রুতি করে তোল উৎকর্ণ,
শাদা রাত্রি থেকে আমরা আরো শাদা রাত্রির দিকে  চলে গিয়েছি
ক্ষুধার্ত চোখে দেখেছি_ ওইখানে পড়ে আছে পদ্মপুকুর,
বেশিনের শাদা পেয়ে আমরা জেনেছি_ জেনকবিতা কাকে বলে?
জৈনধর্মের ভেজামেঘ খুঁজে নিয়ে আসো, বাগানের আপেল_

 

14-landscape painting by madart
দৈর্ঘ্য আর বৃষ্টির গান পেয়েছি

পুষ্করিণী_ আজ আমার ত্রস্ত হবার দিন নেই
অরণ্যে কখনো অগ্ন্যুৎপাত হলে দমকলবাহিনীকে
দ্রুত খবর পাঠিয়ে দাও, গুঞ্জন সেই তটরেখার বালু
স্পর্শ করেছে, পাখিদের প্রতিভার পরিমাপ করে
দেখো।
জঙ্গলে শুধুই শালবন পাবে না, হে মর্মর প্রশাখা
উদ্ভিন্ন দেবদারু অভ্যর্থনার ভাষা আয়ত্ত করেছে।
সোনালি গোল সূর্য মস্তিষ্কের ঘাসগুলোকে আরো
প্রতারিত করে তোলে।
পুষ্করিণী_ ধানক্ষেতের মাঝখানে সেই স্তম্ভলিপি
পাঠ করে আমি  দৈর্ঘ্য আর বৃষ্টির গান পেয়েছি।

 

21403-charming-inspiration-contemporary-art-painting-idea-ideas
শ্বেত শান্ত ঢেউ

একটি কাহিনি নয় অনেকগুলো ডালিমের কোষের লাল
স্তর হয়ে কাহিনিগুলো জেগে ওঠে, শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে
উদ্যানের হাসির বীজ ছড়ায়, সংস্কার রাখে না
কোনো, দোলনায় দুলতে থাকে, ঊর্ধ্বে ওঠে নামে

কাহিনির গবাক্ষ ভেদ করে টর্চলাইট হাতে আমি ছুটে যাই
পালকখ- উঠিয়ে নিয়ে আসি সহস্র মেহগনির বাগান
এ কোনো আবিষ্কার নয়, বর্ষপুঞ্জির অঝোর শ্রাবণে জেগে ছিল
আমাদেরই চিন্তা পদ্ধতি পালক, পুকুরের কাছে প্রাচীন গাছ
আর তার নিচে মুদির দোকানের সেই ঘনায়মান ঝড়োরাত্রে
সঙ্গি হয়েছিল। তাদের পেশা আর উপবৃত্তি কী ছিল? জঙ্ঘার
উপবনে ভ্রমণ করে জঙ্ঘাই কাম্য জেনে নৌকো করে তরমুজফল
নিয়ে গিয়েছিল, শ্রম এনে দিয়েছিল এই তরমুজফল।
শাদা নুড়ি পাথর, তোমরাও জানো, কাহিনি কেন ঘুনিয়েছে,
শালপাতা কেন উড়ে উড়ে এসে জাগ্রত করেছে,
বিয়াল্লিশ হাত লম্বা ইশকুল ঘর, তার বারান্দাজুড়ে শ্বেত
শান্ত ঢেউ, তারা ধানক্ষেতের মধ্যদিয়ে ছুটে আসছে,

কুহকিনিজ্জ অঝোর শ্রাবণ পালক মেলে দিয়ে কাহিনির কাছেই
ঘুমিয়ে থেকেছে, গতরাত্রির তনুঘেটে আমি দ্রাক্ষার উপকথা
পেয়েছি, ডালিমফুলকেও হাতে উঠিয়ে নিয়েছি, ঘুমের ব্যাখ্যাপত্র
আমি চিকিৎসকের কাছে রেখে এসেছি, অথচ খুঁজছি মাংসের দোকানে_

 

images--6666666666

মাধুর্যের অপাঠ্য যা আছে

রাত্রি আপেলের রঙ হয়ে বসে ছিল, বুনো বাঘের দৌড় দেখে
বেশি মনে পড়লো হরিণের কথা,
দানবমুখো কষ থেকে ভাসিয়ে দেয় লবণ সমুদ্র, আশ্চর্য
প্রতিলিপি পাঠ করে সন্দেহ হয়, বাড়ির
পুকুরটি ধরে আছে সোনার সিন্দুক, ধনুক-ছাল।
মহিষগাড়ির ফিরে আসাই চোখ দেখেছে, শূন্য নয়,
গোলাভরে উঠবে, বীজের উত্থানে দক্ষিণ হাওয়াকে
নীল অভ্যর্থনাই জানানো হয়েছে, রাত্রির বিদ্যুতে
ডাকাতির ভয় ছিল, সন্ত্রাস তাই আমাদের হাতে
উঠে আসে, শীতের অস্তগামী সূর্য দাঁড়িয়ে থাকে তীক্ষ্ণ জ্ঞানকোষে।
পুকুরের জলে বটপাতা ভাসছে, এ কী প্রতিভাসের
প্রণয়চিহ্ন, মহাবিশ্বে বাতাস বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উড়তে থাকে,
পড়তে থাকে মাধুর্যের অপাঠ্য যা রয়েছে। আপেলের রঙ রাত্রে,
ভৌতকাঠামো, আহা, সোনার বল, তোমার জন্যে দণ্ডিত হয়
ঝাউবন। বাজারের বিক্রেতারা এখনই ফিরছে, জলঝিরি তাদের হাসি।

images
অজস্র পালক ধর্ম অবতল ছড়ালো

মাতৃভাষা কোন জগতে বীজপত্র হয়ে ছড়িয়ে ছিল?
তার অবসন্ন বিকেল বেলা একখণ্ড_  চিন্তা ব্রহ্মা-, চতুষ্কোণে
শিহরণ তোলে স্বাধীন, স্বাধীন, ঘাসবিস্তারে অমর্ত্য সোনাররেখা_
পবিত্র মাতৃক্রোড়ে বসে ফসলের সংগীত, আর রাত্রিযোনির
চিৎকার সমুদ্র ঢেউকে ত্রস্ত করে তোলে, দ্রাক্ষালতা_
শীতের শতছিন্ন কুয়াশা আবরণ, হোটেলের রান্নাঘরে গ্যাসের গন্ধ
লিখিত রচনার বন্ধু হবে কবে? স্বৈরিণী বৃষ্টি শুধুই প্রবাসে ছুটেছে।
আঙুরগুচ্ছ উদ্ভাসিত হতে চেয়েছিল, রক্তফল হয়ে
কারখানা শ্রমিকের অভিজ্ঞতা জানলায় ঝুলে আছে, দূরভাষে
সংকেত পাঠাবো, জেনে, কবুতরের ঠোটের রঙকল্প _
রাস্তার মোড়ে বেদিতে ভাস্করের শরীরে নেমে এসেছে কী?
অলিখিত কূট অভ্যাস ঘুমিয়ে আছে ডোমের ছুরিতে
সরল সমীকরণ ভাতের প্লেটে ঘুমাচ্ছে, উঠিয়ে তুলবো কী?
দস্তানার প্রয়োজন থেকে গেল, প্রতিশ্রুত অপেরা, চরম অপরাধ ছিল_
শূন্য খিলান থেকে অজস্র পালক ধর্ম অবতল ছড়ালো, যা রাঙতায় মোড়া।

 

Peter-Pop-art-oil-font-b-painting-b-font-font-b-Muhammad-b-font-font-b
আপেল ছুড়ে মারতে পারি

নিসর্গ কী বাড়ি ফিরে গিয়েছে? উদ্বিগ্ন চেহারা, শুকনো ঠোট, চুলগুলো
বাতাসে উড়ছে।
ভয়, ত্রাস, আতঙ্ক অরাত্রিতেও ছুটে আসে, ধারালো ছুরি, বোমা
বিধিয়ে দেয় বাসের এক কোণে বসে থাকলেও, ওটা সরিয়ে নাও,
আমি আনন্দ সিনেমা হলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবো, কেউ আমাকে
কিছু বলবে না,
এই পায়ে হাঁটা রাস্তাগুলো লন্ডনের মতন লাগে কী? প্রায় তোমাদের
মুখোমুখি হই আমি,
আজ দুপুর থেকে বৃষ্টি পড়ছে, আমার ছাতা ছিল না, ভিজে গেলাম,
স্বপ্ন দ্রব হয়ে আসে, আরো আপেল ছুড়ে মারতে পারি, চৌকো উদ্যান_
ঢেকে রাখে ধর্মবেতারা,
রোমা রোলা উঁচু থেকে ছিটকে পড়লো মুখের ওপর, অসতর্ক ছিলাম আমি।

golden-sunrise-huge-abstract-oil-painting-original-metallic-gold-textured-modern-contemporary-art-emma-lambert

হিম সকালের ইশকুলে

রক্তমুখীজ্জ আমিই সেই মেঘকে কাছে ডেকেছি, ধুম
আলেয়ায় শরীর পুড়িয়ে কখন কষ পড়েছে হাতে
জানি হৃদয় দুর্বল বলে সহিংস হতে পারিনি, শুধু
আকাশ খিলান থেকে ঝরে পড়েছে মরা তারকা।
রক্তমুখী_ তোমার যদি প্রগাঢ় ছিল নীল, যুদ্ধকৌশল
পুস্তকে নয়, অশ্বারোহীর মস্তিষ্কে বাহুর স্ফূর্তিতে।
আমার জানলার কাচ খ-বিখ- মোমশিখা ধরে
মান্যতা জানাই চিন্তামণিকে পাশে বসিয়ে বলি
রক্তমুখী_ তোমার বড়বোন, অগণ্য পালক হাতে
সেই তোমাকে নিয়ে যাবে হিম সকালের ইশকুলে।
পাহাড়ের চূড়োয় যে পতাকা উড়তে থাকে, হাওয়া
তাকে অত্যুজ্জ্বল মেঘের প্রতিবেশ দেয়। সংহার
শীতের কম্বল গায়ে পরে আমার দরজার কাছে
দাঁড়িয়ে আছে_ ধ্বংসবীজ কোন জলে নামবে শেষে।