স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় প্রদর্শিত হচ্ছে জয় কে. রায় চৌধুরীর একক চিত্র প্রদর্শনী- ‘লাইফ, লাইট এন্ড কেওস’

তারুণ্যলোক প্রতিবেদক : স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় প্রদর্শিত হচ্ছে জয় কে. রায় চৌধুরীর একক ফটোগ্রাফি এবং আর্ট এক্সিবিশন। প্রদর্শিত সকল চিত্রশিল্প জয় নিজের স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৫ দিয়ে এঁকেছেন।

বিচ্ছিন্ন মানুষের মুখ, তাদের অভিব্যক্তি, তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভিন্নধর্মী গল্পের মাধ্যমে এই প্রদর্শনী হচ্ছে। নির্দিষ্ট ফ্রেমের মধ্যে সময়কে স্থিত করেই জয় তার গল্প বলার চেষ্টা করেন। ঢাকার আঁলিয়াস ফ্রসেজ-এ এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জয় ক্যামেরার লেন্সে চোখ রেখে তুলে আনেন আমাদের জীবনের বাস্তবতা, অনুভূতি, সুখ-দুঃখ এবং আনন্দ। তিনি বিশ্বাস করেন, এই ছবি ও চিত্রকর্ম দেখে পরবর্তী প্রজন্মের মানুষেরা জীবনের সুন্দর দিকগুলো তুলে নিয়ে আসার অনুপ্রেরণা পাবে।

এ প্রর্দশনী সম্পর্কে শিল্পী জয় কে. রায় চৌধুরী বলেন, “চিত্রশিল্প তৈরি প্রচলিত ধারার বাইরে এসে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৫ এর মাধ্যমে চিত্রশিল্পগুলো তৈরি করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমার এই চিত্রশিল্পগুলো প্রদর্শণীর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই”।

আঁলিয়াস ফ্রসেজ-এর লা গ্যালারীতে এই এক্সিবিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় ২৭ মে ২০১৬ তারিখে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব আলী যাকের। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব জ. ই. মামুন, ইউরোপিয়ান প্রেস ফটো এজেন্সি-এর ফটোসাংবাদিক আবীর আব্দুল্লাহ,  হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড-এর ডিরেক্টর জনাব মশিউর রহমান প্রমুখ এর উপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠে আরো প্রাণবন্ত । ৬ জুন ২০১৬ পর্যন্ত প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোম্পানী লিমিটেড সম্পর্কে
অভিনব এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোঃ লিঃ বিশ্ব পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে টিভি, স্মার্টফোন, পরিধানযোগ্য ডিভাইস, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, ডিজিটাল অ্যাপ্লায়েন্স, প্রিন্টার, মেডিকেল সরঞ্জাম, নেটওয়ার্ক সিস্টেম, সেমিকন্ডাকটর এবং এলইডি সলিউশনে যুগান্তকারী সমাধান প্রদান করছে। স্মার্ট হোম এবং ডিজিটাল হেলথ ইনিশিয়েটিভ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি “ইন্টারনেট অফ থিংস” এ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশ্বজুড়ে ৮৪টি দেশে ৪৯০,০০০ জন কর্মী কাজ করে এবং বাৎসরিক আয় ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।