হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট মাশরাফির

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরুর আগে দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ। চোটে পড়েছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ভারতের বিপক্ষে মঙ্গলবারের প্রস্ততি ম্যাচে বোলিং করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান মাশরাফি। তবে আশার কথা হচ্ছে, টিম ম্যানেজমেন্ট আশা করছে মাশরাফিকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে। আগামী রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ৬ ওভারের প্রথম স্পেলে বোলিং করার সময় চোট পান তিনি। সাধারণত ছয় ওভারের স্পেলে বোলিং করেন না টাইগার অধিনায়ক। কিন্তু সেদিন বিরাট কোহিল ও রোহিত শর্মাকে আটকাতেই একটানা বোলিং করে গেছেন। সেই স্পেলে তিনি কোন উইকেট না পেলেও ২৩ রান খরচ করে ভারতকে ভালোই চাপে রেখেছিলেন।

মাশরাফি ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট বয়ে বেড়াচ্ছিলেন আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে। ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটিতে খেলা অনিশ্চিতও ছিল। ম্যাচের আগে পায়ের অবস্থা একটু ভালো অনুভব করায় খেলতে নামেন। খানিকটা অনুশীলনের তাগিদও ছিল। নতুন বল হাতে নিয়ে টানা দুটি মেডেন নিয়ে শুরু করেন। এক স্পেলে বোলিং করেন টানা ৬ ওভার।

ষষ্ঠ ওভারে গিয়ে টান লাগে বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে। এই চোটও তার বেশ পুরোনো, মাথাচাড়া দিয়েছে আবার। ৬ ওভারের স্পেল করা জরুরি ছিল কিনা, এই প্রশ্নে বাংলাদেশ অধিনায়ক একটি অনলাইন পত্রিকাকে জানালেন অনুশীলনের তাগিদের কথা।

বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে আমার আসলে অনেক সময় সমস্যা হয় প্রথম ১-২ ওভার করতে। সেটুকু করতে পারলে পরে আর সমস্যা হয় না। আজকেও হচ্ছিল না; কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে টান লেগে গেল। ৪-৫ ওভারে থামতে পারতাম; কিন্তু ওই সময় রোহিত ও কোহলি বেশ অস্থির হয়ে উঠছিল রানের জন্য, শট খেলতে চাচ্ছিল বারবার। মনে হলো, এমন আক্রমণের সামনে প্র্যাকটিস করা জরুরি।’

পায়ে টান লাগার পর ফিল্ডিংয়ে অনেকটা সময়ই মাঠের বাইরে ছিলেন অধিনায়ক। মাঠ পরিচালনা করেছেন তখন সাকিব আল হাসান। পরে ব্যাট করতেও নামেননি মাশরাফি।

ম্যাচ শেষে হোটেলে ফেরার পর মাশরাফির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন ফিজিও তিহান চন্দ্রমোহন। এই চোট তাকে ম্যাচ খেলা থেকে থামাতে পারবে না। কিন্তু অধিনায়ক চিন্তিত অন্যদের চোট নিয়ে। প্রস্তুতি ম্যাচটিতে চোট ছোবল দিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকেও। যদিও তাদের চোটও মারাত্মক কিছু নয়। সূত্র: ক্রিকইনফো