ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করতে গিয়ে আরও ঝামেলায় নেইমার

স্পোর্টস ডেস্ক, ৪ জুন : বিপদ পিছু ছাড়ছে না নেইমারের। তার বিরুদ্ধে এক তরুণীর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আগেই। নিজেকে নির্দোষ দাবি করতে গিয়ে ঝামেলা আরও বাড়িয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে নতুন করে পুলিশের জেরার মুখে তিনি।

এক তরুণী নেইমারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। অভিযুক্তের দাবি, গত ১৫ মে প্যারিসের এক হোটেলে নেইমারের সঙ্গে দেখা হয় তার, মদ্যপ অবস্থায় থাকা ব্রাজিলিয়ান তারকা শারীরিকভাবে তার ওপর চড়াও হয় এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হন তিনি।

এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে ব্রাজিলিয়ান পুলিশ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করা নেইমার উল্টো ‘ফাঁদ পাতার’ অভিযোগ তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তবে নিজের কথার সত্যতা প্রমাণ করতে গিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা ব্যক্তিগত সব তুলে ধরেছেন নেইমার। অভিযুক্তের ব্যক্তিগত ছবি ও বার্তা প্রকাশ করায় এখন আরও ঝামেলায় তিনি।

ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে নেইমার বলেছেন, ‘আমাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের অনেক কিছু এখন সামনে আনতে হলো। কেননা সবার জানা দরকার আসলে কী ঘটেছিল ওই দিন (১৫ মে)। যে দিনের কথা বলা হচ্ছে, যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে পরের দিনই (ওই তরুণীর সঙ্গে) আমাদের সম্পর্কটা এমন থাকতো না।’

নেইমার তার বার্তার মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, যে দিনের কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন ওই তরুণী, তার পরদিনই তার সঙ্গে ভালোমতো কথা হয়েছে নেইমারের। তাই এখন তাকে ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি প্যারিস সেন্ত জার্মেই তারকার।

কিন্তু ভালো করতে গিয়ে বিষয়টা আরও জটিল করে তুলেছেন ওই তরুণীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে। ব্রাজিলিয়ান পুলিশ এ ব্যাপারে কথা বলতে তলব করেছে সাবেক বার্সেলোনা তারকাকে।

অভিযুক্তের ছবি প্রকাশ করায় নেইমারের সঙ্গে কথা বলতে পুলিশ গ্রানিয়া কোমারি কমপেক্সে গিয়েছিল, যেখানে কোপা আমেরিকার প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্রাজিল দল। যদিও ওই সময় নেইমার ক্যাম্পে ছিলেন না। পরে পুলিশ তার মোবাইলেও চেষ্টা করছে কথা বলার জন্য। শেষ পর্যন্ত সেটা না হওয়ায় তাকে তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী এক কর্মকর্তা।

Be the first to comment

Leave a comment

Your email address will not be published.


*