সেই পাকিস্তানই হারিয়ে দিলো ইংল্যান্ডকে

স্পোর্টস ডেস্ক : কি দুর্দান্ত জয়! এটাই পাকিস্তান। নিজেদের দিনে কেউ তাদের হারানোর ক্ষমতা রাখে না, সেটা আবারও তারা প্রমাণ করল বিশ্বকাপের ফেভারিট দল ইংল্যান্ডকে হারিয়ে। আবার যেদিন গণেশ উল্টে যায় সেদিন নরম দলের বিপক্ষেও তারা অনায়াসে বিধ্বস্ত হয়। ইংলিশদের ১৪ রানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয়ে প্রথম ম্যাচ হারের পর নিজেদের স্বরূপে ফেরালো পাকিস্তান।

পাকিস্তানের দেয়া ৩৪৯ রানের পাহাড়সম রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জো রুটের (১০৭) ও জস বাটলারের (১০৩) রানের দুই সেঞ্চুরির পরও হার থেকে রক্ষা পায়নি ইংল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ইংলিশরা। সোমবার নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি শুরু হয়ে। টসে জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ান মরগান।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তিন অর্ধশতকের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।

প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়া পাকিস্তান এই ম্যাচে একাদশে দুটো পরিবর্তন আনে। দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক। আরো ফিরেছেন হার্ডহিটার আসিফ আলী। প্রথম ম্যাচের দল থেকে বাদ পড়েছেন হারিস সোহেল ও অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটি ভালো সূচনা এনে দেয় পাকিস্তানকে। ১৪.১ ওভারে দুই ওপেনার ফখর জামান ও ইমাম উল হক মিলে তোলেন ৮২ রান। ৫৮ বলে ৪৪ রান করে মইন আলির বলে ক্রিস ওয়াকসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ইমাম আউট হলে দলীয় স্কোর বোর্ডে ২৯ রান যোগ করতেই ব্যক্তিগত ৩৬ রান করে ফেরেন ফখর জামানও। এরপর দলকে টেনে নেয়ার দায়িত্ব নেন বাবর ও হাফিজ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৮৮ রান।

৬৬ বলে ৪ চার ও এক ছয়ে ৬৩ রান করে ক্যারিয়ারের ১২তম অর্ধশতক করে বাবর আজম ফেরেন মউন আলির তৃতীয় শিকার হয়ে। বাবর আজমের পর হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মোহাম্মদ হাফিজ। ৪১ বলে ৫ চার ও এক ছয়ে ক্যারিয়ারের ৩৭তম অর্ধশতক করেন হাফিজ। ৬২ বলে ৮ চার ও ২ ছয়ে ৮৪ রান করে মার্ক উডের শিকার হন হাফিজ। ৪৪ বলে ৫৫ রান করেন সারফরাজ আহমেদ। আসিফ আলির ১৪, শোয়েব মালিকের ৮, শেষদিকে হাসান আলি ও শাদাব খানের অপরাজিত ১০ রানের ওপর ভর করে ৫০ ওভারে ৩৪৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।

ইংল্যান্ড বোলারদের মধ্যে মইন আলি ও ক্রিস ওয়াকস ৩টি এবং মার্ক উড ২টি উইকেট শিকার করেন।