বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সাকিবের

স্পোর্টস ডেস্ক : চলতি বিশ্বকাপে বল হাতে এখন পর্যন্ত স্মরণীয় কিছু করতে না পারলেও ব্যাট হাতে প্রতি ম্যাচেই আলো ছড়াচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

এবারের আসরে প্রথম দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি ও তৃতীয় ম্যাচে শতকের দেখা পেয়েছেন সাকিব। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০০তম ম্যাচটা রাঙিয়েছিলেন ফিফটি দিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫), নিউজিল্যান্ড (৬৪) ও তৃতীয় ম্যাচ ইংল্যান্ডের সঙ্গে ব্যাট হাসিয়ে শতক (১২১) তুলে নিয়েছেন বর্তমান বিশ্বের সেরা এই অলরাউন্ডার।

বিশ্বকাপে টানা হাফ সেঞ্চুরির করে কিংবদন্তি কয়েকজনের পেছনে রয়েছেন সাকিব। বাকি ম্যাচগুলোতে ভাল কিছু করতে পারলে তাদেরকেও টপকানোর সুযোগ রয়েছে তার। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে টানা চারটি সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলংকান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকার। বিশ্বকাপে টানা চার হাফ সেঞ্চুরির প্রথম রেকর্ডটি হয় ১৯৮৩ সালে। সেবার ইংল্যান্ডের গ্রায়েম ফাওয়ার করেছিলেন টানা চারটি হাফ সেঞ্চুরি। ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে টানা চারটি হাফ সেঞ্চুরি করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ওপেনার ডেভিড বুন। ৯৬ এর বিশ্বকাপে টানা চার অর্ধশতক করেন আরেক অজি ওপেনার মার্ক ওয়াহ। সেবারই চার ম্যাচে দুটি সেঞ্চুরিও দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীনে টেন্ডুলকার। তিন হাফ সেঞ্চুরি নিয়ে কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যানদের ঘাড়ে নি:শ্বাস ফেলছেন সাকিব।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ওভালে আরেকটি রেকর্ড গড়েছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক। চার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ফিফটির রেকর্ড একমাত্র তারই দখলে। তাছাড়া ১৯৯ ম্যাচে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে পাঁচ হাজার রানের পাশাপাশি আড়াই শ’ উইকেটের রেকর্ডও সাকিব গড়েছেন এই বিশ্বকাপেই।

এদিকে, এ বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৩ ম্যাচ খেলে ২৬০ রান করে সর্বোচ্চ রানের মালিক বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ১২৯.৫০ এভারেজ ও ৯৬.২৮ স্ট্রাইক রেটে এক ম্যাচে রয়েছে সেঞ্চুরি। এর পরের অবস্থান ইংলিশ ব্যাটসম্যান জেসন রয়ের। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৭১.৬৬ এভারেজ ও ১১৮.৭৮ স্ট্রাইক রেট নিয়ে ২১৫ রান সংগ্রহ তার। এছাড়া তৃতীয় অবস্থানেও রয়েছে ইংলিশ আরেক ব্যাটসম্যান জস বাটলার। ৩ ম্যাচ খেলে তার ঝুড়িতে সংগ্রহ ১৮৫ রান।