নিজের হাতে তৈরি জিনিস দিয়ে ত্বকচর্চা, ভাবতেই দারুণ লাগছে না?

বাড়ি থেকে এখন প্রয়োজন ছাড়া বেরনো নেই। যেটুকুও বা বেরনো হচ্ছে, মাস্কের আড়ালে মুখ ঢেকে। ‘কে-ই বা আমায় দেখছে’ ভেবে যদি ত্বকের যত্ন নেওয়া বন্ধ করে দাও,তাহলে কিন্তু মুশকিল! বেরনো কমে গিয়েছে বলে ত্বকের পুষ্টির প্রয়োজন কমে গিয়েছে, এমন তো নয়! বরং বাড়তি সময়টাকে কাজে লাগিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারো বিভিন্ন ফেসপ্যাক। নিজের হাতে তৈরি জিনিস দিয়ে ত্বকচর্চা, ভাবতেই দারুণ লাগছে না? আর গাইড করার জন্য তো ১৯ ২০ রয়েছেই!
স্বাভাবিক ত্বক: শসা কুরিয়ে তার সঙ্গে অল্প চিনি মিশিয়ে নাও। ফ্রিজে রেখে দাও কিছুক্ষণ। তারপর মুখে-ঘাড়ে-গলায় লাগিয়ে নাও। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেল। এই প্যাক ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়।

তৈলাক্ত ত্বক: দুই টেবলচামচ বেসনের সঙ্গে এক টেবলচামচ দই মিশিয়ে নিলে তৈলাক্ত ত্বকের দারুণ প্যাক তৈরি হয়ে যাবে। বেসন ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয়। দই ত্বককে পরিষ্কার করে ভিতর থেকে।

শুষ্ক ত্বক: এই প্যাক বানাতে লাগবে একটা কলা আর এক টেবলচামচ অলিভ অয়েল। কলার পেস্ট বানিয়ে, অলিভ অয়েল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নাও। মিনিট কুড়ি রেখে, ধুয়ে ফেল। কলা স্কিন রেজুভেনেট করে, নতুন স্কিন সেল তৈরিতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েল খুব ভাল ময়েশ্চারাইজার।
মিশ্র ত্বক: তিন টেবলচামচ পেঁপে ম্যাশ করে নাও। তাতে মেশাও এক টেবলচামচ ঠান্ডা দুধ আর দু’ফোঁটা আমন্ড অয়েল। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে আধঘণ্টাখানেক রেখে দিতে হবে। দুধ আর আমন্ড অয়েল ত্বকের শুষ্ক অংশে আর্দ্রতা জোগাবে। পেঁপে শুষে নেবে বাড়তি তেল।