অফিসের চাপে নাকাল দাম্পত্য জীবন, কী করবেন?

অফিসে কাজের চাপ বা নানা ঝামেলা সংসার জীবনেও প্রভাব ফেলে। দেখা গেল, অফিস করে এসেও কোনোভাবে ঘরের কাজে মন বসছে না। অফিসের চাপ মানসিকভাবে এত বেশি চেপে বসেছে যে, না পারছেন সঙ্গীকে সময় দিতে না পারছেন সন্তানদের দিকে খেয়াল রাখতে।

দিনের পর দিন অফিস চাপ সইতে না পেরে, সেটি দাম্পত্য জীবনে এসে পড়ে। এতে সংসারে অশান্তির ছায়াও দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, এ নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছে লাইফস্টাইল সাইট ফেমিনা।

সঙ্গীকে দায় দিবেন না

হয়ত সারা দিন আপনার উপর দিয়ে অফিসে ঝড় বয়ে গেছে, কিন্তু তার ক্ষোভ যেন বাড়ি ফিরে স্বামী বা স্ত্রীর উপর না পড়ে। কর্মক্ষেত্রে অশান্তির জন্য সঙ্গীর উপর দায় চাপাবেন না। কারণ তাতে আপনার অফিসের পরিস্থিতির উন্নতি তো হবেই না, মাঝখান থেকে দাম্পত্য সম্পর্কটাও নষ্ট হবে।

মেজাজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন

অফিসে চাপে থাকলে সেটি কিছুটা ঘরেও প্রভাব ফেলে-এ কথা সত্যি। ফলে অনেক সময় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। না বুঝে ঘরের সদস্যদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের কষ্ট দেন। এতে তারাও আপনাকে ভুল বোঝাটা স্বাভাবিক। হয়ত আচমকা চেঁচিয়ে ফেললেন, কিন্তু সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিজেকে বোঝাতে হবে যে, ঘরে চিত্কার চেঁচামেচি করলে অফিসের পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে না।

সঙ্গীকে খুলে বলুন

অফিসের চাপের কারণে আপনার ভেতরে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আপনার মনের অবস্থা ভালো নেই। বিষয়টি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে খুলে বলুন। তার কাছ থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন।

নিজেকে সময় দিন এ সময় নিজেকে একটু সময় দিন। বাসায় দুই একটা দিন একা থাকুন। নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিন। এতে নিজের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতেও সুবিধা হয়। সম্ভব হলে দুই একটা দিন অফিস থেকে ছুটি নিন। বাইরে কোথাও থেকে ঘুরে আসুন।

অফিসের কাজ অফিসেই

অফিসের কাজ ঘরে না আনার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে দেখবেন, অফিসের চাপের প্রভাবও সংসার জীবনে পড়বে না। অফিসের জীবন আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটা স্পষ্ট সীমারেখা টানুন এবং সেটা মেনে চলুন। সাপ্তাহিক ছুটিতে ঘরে থাকাকালীন অফিসের ই-মেল দেখবেন না, অফিসের ফোনও ধরবেন না। ছুটির সময়টা পুরোটাই আপনার পরিবারকে দিন।