গেঁটেবাতের সমস্যা: যা খাওয়া যাবে এবং যাবে না

গেঁটেবাত বা গাউট (Gout) হল এক প্রকারের আর্থ্রাইটিসের সমস্যা, যা হাড়ের জয়েন্টের প্রদাহ তৈরি করে। এতে করে আক্রান্ত ব্যক্তি হুট করেই জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করে। ক্ষেত্র বিশেষে জয়েন্টে প্রদাহজনিত কারণে ফুলে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। মূলত হাতের আঙুল, হাতের হাড়ের জয়েন্ট, হাঁটু ও পায়ের পাতায় এই সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। সাধারণত রাতে গাউটের সমস্যা দেখা দেয় এবং ৩-১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় এই সমস্যাটি।
গাউটের সমস্যা কেন দেখা দেয়?

রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের (Uric Acid) মাত্রা বেড়ে গেলে হাড়ের জয়েন্টে গাউটের সমস্যা দেখা দেয়। ইউরিক অ্যাসিড হল খাদ্য উপাদান পরিপাক হওয়ার পর শরীরে প্রস্তুত হওয়া অবশিষ্ট বর্জ্য পদার্থ। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলেও তা শরীর থেকে বের হতে পারে না, ফলে হাড়ের জয়েন্টে এসে জমা হয়। যা থেকে প্রদাহ ও ব্যথা দেখা দেয়।

গেঁটেবাতের সমস্যা: যা খাওয়া যাবে এবং যাবে না
ওটস ও বাদাম গাউটের সমস্যায় খাওয়া যাবে

ওটস ও বাদাম গাউটের সমস্যায় খাওয়া যাবে

গেঁটেবাত বা গাউট (Gout) হল এক প্রকারের আর্থ্রাইটিসের সমস্যা, যা হাড়ের জয়েন্টের প্রদাহ তৈরি করে। এতে করে আক্রান্ত ব্যক্তি হুট করেই জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করে। ক্ষেত্র বিশেষে জয়েন্টে প্রদাহজনিত কারণে ফুলে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। মূলত হাতের আঙুল, হাতের হাড়ের জয়েন্ট, হাঁটু ও পায়ের পাতায় এই সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। সাধারণত রাতে গাউটের সমস্যা দেখা দেয় এবং ৩-১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় এই সমস্যাটি।
গাউটের সমস্যা কেন দেখা দেয়?

রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের (Uric Acid) মাত্রা বেড়ে গেলে হাড়ের জয়েন্টে গাউটের সমস্যা দেখা দেয়। ইউরিক অ্যাসিড হল খাদ্য উপাদান পরিপাক হওয়ার পর শরীরে প্রস্তুত হওয়া অবশিষ্ট বর্জ্য পদার্থ। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলেও তা শরীর থেকে বের হতে পারে না, ফলে হাড়ের জয়েন্টে এসে জমা হয়। যা থেকে প্রদাহ ও ব্যথা দেখা দেয়।

গাউটের সমস্যায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ও খাদ্য নির্বাচন। কিছু খাবার রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়, যা স্বাভাবিকভাবে গাউটের সমস্যা বৃদ্ধি করে। অন্যদিক কিছু খাবার গাউটের সমস্যায় খাওয়া নিরাপদ এবং এই সমস্যাটি বৃদ্ধি করে না।
গাউটের সমস্যায় এড়িয়ে চলতে হবে যে খাবারগুলো
রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং গাউটের সমস্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে এমন খাবার খাদ্যাভ্যাস থেকে যতটা সম্ভব সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। এমন খাবারগুলো হল- গরু/খাসির কলিজা, গুর্দা, মগজ, চিংড়ি, কাঁকড়া ও অন্যান্য সামুদ্রিক খাবার, চিনিযুক্ত পানীয়, কোমল পানীয়, কর্ন সিরাপ, ইস্ট ও ইস্টযুক্ত খাবার।
গাউটের সমস্যায় খাওয়া যাবে যে খাবারগুলো
গাউটের সমস্যায় নিরাপদ থাকা যাবে এমন কিছু খাবার হল- সকল ধরণের ফল, সকল ধরণের সবজি, সকল ধরণের বাদাম, হোল গ্রেইন (ওটস, ব্রাউন রাইস), লো ফ্যাট ডেইরি পণ্য, কফি, চা, গ্রিন টি, ডিম, মসলা ও উদ্ভিজ ভিত্তিক তেল (ক্যানোলা, নারিকেল, ফ্ল্যাক্স ও অলিভ অয়েল)।