ঘরের বাতাস দূষণমুক্ত করবে এই গাছগুলো জানালো নাসা

আধুনিককায়ণের যুগে পরিবেশ দূষণ বেড়েছে অনেক বেশি। তবে ঘরের বাতাসকে দুর্গন্ধমুক্ত এবং সতেজ রাখতে ব্যবহার করা হয় এয়ার ফ্রেশনার। তবে এতেও রয়েছে রাসায়নিক পদার্থ।

সম্প্রতি নাসা (ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) থেকে জানানো হয়েছে, খোলা চোখে দেখতে পাওয়া না গেলেও নিজের অজান্তেই ঘরোয়া দূষণেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অনেকেই। বিল্ডিং বানানোর উপাদান থেকে শুরু করে এয়ার ফ্রেশনার সবকিছুতেই রয়েছে রাসায়নিক পদার্থ। সতর্ক না থাকলে ঘরের আবহাওয়া রীতিমতো বিষাক্ত হয়ে ওঠাও অসম্ভব নয়।

তবে কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট রয়েছে যেগুলো ঘরকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে। এই গাছগুলো ঘরে ক্ষতিকর ফরমালডিহাইড দূর করে অক্সিজেন বাড়াতে কাজ করে। জেনে নিন ঘরকে দূষণমুক্ত রাখতে কোন গাছগুলো রাখবেন। যে গাছগুলো আপনার ঘরে এয়ার ফ্রেশনারের কাজ করবে।

বোস্টন ফার্ন
আপনি যদি ঘরে পেইন্টিংয়ের কাজ করেন তাহলে ফার্ন গাছকে অবশ্যই ঘরের ইন্টেরিয়রের অংশ করতে পারেন। আবার নেইল পলিশ ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের গন্ধ লাগে। ফলে জিলিনি এবং টলিউনির মতো বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হয় ঘরে। এগুলো দূর করতে সাহায্য করে বোস্টন ফার্ন।

পথোস
এই গাছের পাতা হৃৎপিণ্ডের মতো। এটি কম আলো এবং ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারে। পথোস ফরমালডিহাইড এবং কার্বনমনোক্সাইড থেকে বাতাসকে মুক্ত করে। তাই ঘরে রাখতে পারেন ঝোপযুক্ত গাছটি।

ড্রাফট ডেট পাল্ম
এই গাছগুলো ছোট খেজুর গাছ কিংবা পাল্ম গাছগুলোর ছোট প্রজন্ম। এই গাছগুলো ঘর সাজাতে অনেকেই ব্যবহার করেন। তবে জানেন কি? এই গাছ কিন্তু ঘরের বাতাস দূষণমুক্ত করতে সহায়তা করে।

প্যালেনোপসিস অর্কিড
এটি খুব জনপ্রিয় গাছ নয়। একে হয়তো একটু বেশিই যত্ন করতে হয়। তবে গাছটি বাতাসকে বিশুদ্ধ করে। এর পরিবর্তে ডেনড্রোবিয়ামও রাখতে পারেন। এটিও এক ধরনের অর্কিড।

ইংলিশ আইভি
এই গাছটি অনেক রঙে পাওয়া যায়। এটি বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। ফরমালডিহাইড দূর করার জন্য ঘরের ভেতর এই গাছ রাখতে পারেন।

ব্যাম্বো প্লাম
এই ঝোপযুক্ত গাছটি ঘরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। শীতকালে ইংলিশ আইভির বেশ যত্ন নিতে হয়, তবে ব্যাম্বো প্ল্যাম টিকিয়ে রাখতে বেশি যত্নআত্তির দরকার নেই। কেবল কিছু সময়ের জন্য সূর্যের আলোর প্রয়োজন হয়।