ঘি তৈরির সঠিক প্রক্রিয়াটি জানেন কি?

খাটি ঘি খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে আজকাল খাটি ঘি বাজারে পাওয়া কঠিন। তাইতো আসল ঘি-এর স্বাদ পেতে চাইলে নিজেই তৈরি করে নিন খাটি ঘি। তবেই তো ভেজাল ঘি খেয়ে স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

নিশ্চয়ই ভাবছেন, ঘি তৈরি করা কঠিন কাজ। আসলে ব্যাপারটি তা নয়। সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে খাটি ঘি তৈরি করা একদম সহজ হয়ে যাবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক আপনাদের সবার পছন্দের ঘি তৈরির সঠিক পদ্ধতিটি-

প্রথমে দুধ থেকে এর ক্রিমি অংশটা আলাদা করে নিন। এই ক্রিম আলাদা করার জন্য আপনি দুধ জ্বাল দিয়ে উপর থেকে সর তুলে নিতে পারেন। আবার ক্রিম সেপারেটর মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। এই মেশিনের সাহায্যে চুলায় জ্বাল দেয়া ছাড়াই দুধ থেকে ক্রিম আলাদা করা যায়।

এবার সংগৃহিত ক্রিম টানা প্রায় ২ থেকে ৪ ঘণ্টা জ্বাল দিন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে ক্রিম ঘন থেকে পাতলা হয়ে ওঠে। এভাবে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা জাল দেয়ার পর ক্রিমের উপর হালকা তেল জাতীয় পদার্থ ভাসতে দেখা যাবে। এভাবে জাল দিতে থাকতে হবে আরো প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। এ পর্যায়ে দেখা যাবে সম্পূর্ণ করাই তেলে ভরে গেছে এবং তার নিচে কিছু দানা জাতীয় পদার্থ জমে আছে।

এই পর্যায়ে জাল কিন্তু বন্ধ করা যাবে না। এভাবেই আরো প্রায় আধা ঘন্টা চুলার উপরে রেখেই নাড়তে থাকুন। যত বেশি চুলার উপর রাখা যাবে ততোই ঘি-এর রঙ এবং ফ্লেভার সুন্দর হতে থাকে। পছন্দ সই কালার আসলে চুলা বন্ধ করে রেখে দিন। কিছুটা ঠান্ডা হলে আস্তে আস্তে অল্প অল্প করে ছেঁকে ঘি এবং কাইট আলাদা করতে নিন।

একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে, তরল উষ্ণ ঘি যতই ঠান্ডা হতে থাকবে ততোই সেটা জমে যেতে থাকবে। প্রায় পুরোটাই জমে যায় তবে উপরের দিকে সামান্য অংশ তেল জাতীয় পদার্থ ভাসতে দেখা যেতে পারে।

Be the first to comment

Leave a comment

Your email address will not be published.


*