ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানোর উপায়

বাড়াতে হবে ভিটামিন সি গ্রহণের পরিমাণ। কমাতে হবে অ্যালকোহল ও মিষ্টি পানীয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মেয়ো ক্লিনিকের পরিসংখ্যান বলে, “পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি। তবে এদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ মানুষ কোনো উপসর্গ টের পায় না।”

অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় গেঁটে বাত ও বৃক্কে পাথর হওয়া আশঙ্কা। তাই শরীরে এই উপাদানের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভিডেন্স সেইন্ট জন’স হেলথ সেন্টার’য়ে অবস্থিত জন ওয়েইন ক্যান্সার ইনিস্টিটিউট’য়ের ‘ইউরোলজিক অনকোলজি’ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ‘ইউরোলজিস্ট’ জেনিফার লিনহানের পরামর্শের আলোকে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কীভাবে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানো যায় জানানো হল।

ইউরিক অ্যাসিড কী?

‘পিওরিনস’ নামক রাসায়নিক উপাদান ভেঙে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। ইউরিক অ্যাসিড মূলত জৈবিক বর্জ্য যা রক্তের সঙ্গে মিশে বৃক্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সবশেষে মূত্রের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

তবে রক্ত থেকে উপাদানটি কার্যকরভাবে পরিশোধিত না হলে একসময় রক্তে এই মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। ডাক্তারি ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘হাইপারইউরিসেমিয়া’, যে কারণে পাথর তৈরি হতে শুরু করে।

এই ক্ষুদ্র পাথর কোনো হাড়ের জোড়ে আটকে গেলে সেখান থেকে তৈরি হতে থাকে গেঁটে বাত। ‘হাইপারইউরিসেমিয়া’ আছে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ শতাংশের গেঁটে বাত হতে দেখা যায়।

অতিরিক্ত স্থূলতা, ‘হাইপারথাইরয়েডিজম’, সিরোসিস এবং ‘কেমোথেরাপি’র তেজস্ক্রিয়তা থেকেও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে পারে।

রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা জানা যায়। নারীদের দেহে এর মাত্রা হওয়া উচিত প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ৬ মি.লি. গ্রামের কম। আর পুরুষের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকতে হবে ৭ মি.লি. গ্রামের নিচে।

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানোর উপায়

‘পিওরিনস’ কমানো: জৈবিকভাবে এই রাসায়নিক উপাদানটি শরীরে তৈরি হয়, আবার কিছু খাবারেও তা পাওয়া যায়। মাংস ও সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি প্রাণিজ উৎস থেকে আসা ‘পিওরিনস’ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ানো ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব রাখে।

লস অ্যাঞ্জেলসের ‘ইন্টারনিস্ট’ মোনিয়া দে, এম.ডি বলেন, “বেশিরভাগ মানুষই প্রচুর ‘পিওরিনস’ গ্রহণ করেন প্রতিদিন নিজের অজান্তেই। প্রাণীর যকৃত, বৃক্কের মাংস খাওয়া, টুনা মাছ, খোলসযুক্ত মাছ, তৈলাক্ত মাছ, মাশরুম, পালংশাক, যেকোনো তরকারির ঝোল ইত্যাদি খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে দ্রুত। আবার বাদাম, বাদামের মাখন, ডিম, ননীমুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ফল ইত্যাদিতে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকে কম, তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।”

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের মাধ্যমেও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

২০১৬ সালে ‘আমেরিকান কলেজ অফ রিউমাটোলজি’র সাময়িকী ‘আর্থাইনিস অ্যান্ড রিউমাটোলজি’তে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে কিংবা তাতে আক্রান্ত হওয়ার পথে তারা ৩০ দিন ‘ড্যাশ ডায়েট’ অনুসরণ করার কারণে তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমেছে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ১.৩ মি.লি. গ্রাম পর্যন্ত।

ভিটামিন সি: ২০০৫ সালে ‘আর্থাইটিস অ্যান্ড রিউমাটিজম’ সাময়িকীতে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় অনুযায়ী, এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা দুই মাসব্যাপি প্রতিদিন ৫০০ মি.লি. গ্রাম ভিটামিন সি ‘সাপ্লিমেন্ট’ গ্রহণ করেছে, তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমেছে গড়ে ০.৫ মি.লি. গ্রাম/ডেসিলিটার।

তবে যাদের ইতোমধ্যেই গেঁটেবাত আছে তাদের জন্য একই কথা প্রযোজ্য নয়।

২০১৩ সালে একই সাময়িকীতে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় বলা হয়, গেঁটেবাতে আক্রান্ত অংশগ্রহণকারীদের আট সপ্তাহব্যাপি প্রতিদিন ৫০০ মি.লি. গ্রাম ভিটামিন সি ‘সাপ্লিমেন্ট’ দেওয়ার পরও তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

বাড়াতে হবে ভিটামিন সি গ্রহণের পরিমাণ। কমাতে হবে অ্যালকোহল ও মিষ্টি পানীয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মেয়ো ক্লিনিকের পরিসংখ্যান বলে, “পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি। তবে এদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ মানুষ কোনো উপসর্গ টের পায় না।”

অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় গেঁটে বাত ও বৃক্কে পাথর হওয়া আশঙ্কা। তাই শরীরে এই উপাদানের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভিডেন্স সেইন্ট জন’স হেলথ সেন্টার’য়ে অবস্থিত জন ওয়েইন ক্যান্সার ইনিস্টিটিউট’য়ের ‘ইউরোলজিক অনকোলজি’ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ‘ইউরোলজিস্ট’ জেনিফার লিনহানের পরামর্শের আলোকে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কীভাবে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানো যায় জানানো হল।

ইউরিক অ্যাসিড কী?

‘পিওরিনস’ নামক রাসায়নিক উপাদান ভেঙে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। ইউরিক অ্যাসিড মূলত জৈবিক বর্জ্য যা রক্তের সঙ্গে মিশে বৃক্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সবশেষে মূত্রের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

তবে রক্ত থেকে উপাদানটি কার্যকরভাবে পরিশোধিত না হলে একসময় রক্তে এই মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। ডাক্তারি ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘হাইপারইউরিসেমিয়া’, যে কারণে পাথর তৈরি হতে শুরু করে।

এই ক্ষুদ্র পাথর কোনো হাড়ের জোড়ে আটকে গেলে সেখান থেকে তৈরি হতে থাকে গেঁটে বাত। ‘হাইপারইউরিসেমিয়া’ আছে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ শতাংশের গেঁটে বাত হতে দেখা যায়।

অতিরিক্ত স্থূলতা, ‘হাইপারথাইরয়েডিজম’, সিরোসিস এবং ‘কেমোথেরাপি’র তেজস্ক্রিয়তা থেকেও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে পারে।

রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা জানা যায়। নারীদের দেহে এর মাত্রা হওয়া উচিত প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ৬ মি.লি. গ্রামের কম। আর পুরুষের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকতে হবে ৭ মি.লি. গ্রামের নিচে।

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানোর উপায়

‘পিওরিনস’ কমানো: জৈবিকভাবে এই রাসায়নিক উপাদানটি শরীরে তৈরি হয়, আবার কিছু খাবারেও তা পাওয়া যায়। মাংস ও সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি প্রাণিজ উৎস থেকে আসা ‘পিওরিনস’ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ানো ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব রাখে।

লস অ্যাঞ্জেলসের ‘ইন্টারনিস্ট’ মোনিয়া দে, এম.ডি বলেন, “বেশিরভাগ মানুষই প্রচুর ‘পিওরিনস’ গ্রহণ করেন প্রতিদিন নিজের অজান্তেই। প্রাণীর যকৃত, বৃক্কের মাংস খাওয়া, টুনা মাছ, খোলসযুক্ত মাছ, তৈলাক্ত মাছ, মাশরুম, পালংশাক, যেকোনো তরকারির ঝোল ইত্যাদি খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে দ্রুত। আবার বাদাম, বাদামের মাখন, ডিম, ননীমুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ফল ইত্যাদিতে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকে কম, তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।”

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের মাধ্যমেও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

২০১৬ সালে ‘আমেরিকান কলেজ অফ রিউমাটোলজি’র সাময়িকী ‘আর্থাইনিস অ্যান্ড রিউমাটোলজি’তে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে কিংবা তাতে আক্রান্ত হওয়ার পথে তারা ৩০ দিন ‘ড্যাশ ডায়েট’ অনুসরণ করার কারণে তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমেছে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ১.৩ মি.লি. গ্রাম পর্যন্ত।

ভিটামিন সি: ২০০৫ সালে ‘আর্থাইটিস অ্যান্ড রিউমাটিজম’ সাময়িকীতে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় অনুযায়ী, এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা দুই মাসব্যাপি প্রতিদিন ৫০০ মি.লি. গ্রাম ভিটামিন সি ‘সাপ্লিমেন্ট’ গ্রহণ করেছে, তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমেছে গড়ে ০.৫ মি.লি. গ্রাম/ডেসিলিটার।

তবে যাদের ইতোমধ্যেই গেঁটেবাত আছে তাদের জন্য একই কথা প্রযোজ্য নয়।

২০১৩ সালে একই সাময়িকীতে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় বলা হয়, গেঁটেবাতে আক্রান্ত অংশগ্রহণকারীদের আট সপ্তাহব্যাপি প্রতিদিন ৫০০ মি.লি. গ্রাম ভিটামিন সি ‘সাপ্লিমেন্ট’ দেওয়ার পরও তাদের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

ক্ষতিকারক পানীয়: মদ্যপান ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ায় দ্রুত। ‘থার্ড ইউএস ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন’ নামক জরিপ অনুযায়ী, “মদ রক্তে ‘পিওরিনস’য়ের মাত্রা বাড়ায়, যা পক্ষান্তরে ইউরিক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়ায়।”

মোনিয়া দে বলেন, “মদ্যপানের কারণে হওয়া পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে।

‘বিয়ার’য়ে ‘পিওরিনস’ সবচাইতে বেশি আর ‘ওয়াইন’য়ে সবচাইতে কম। আবার অ্যালকোহল ল্যাকটিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে জলবিয়োগের মাধ্যমে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিডের অপসারণ থামিয়ে দিতে পারে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব কোমল পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও উচ্চমাত্রায় ‘ফ্রুক্টোজ’যুক্ত ‘কর্ন সিরাপ’ থাকে সেগুলোও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়।

কারণ ‘ফ্রুক্টোজ’ শরীরে ভেঙে তৈরি হয় ‘পিওরিনস’। আর তা থেকে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড।

কফি উপকারী

কফিতে থাকা ‘ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড’ নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমায়, এমনেকি গেঁটেবাত প্রতিরোধ করতে পারে। একজন পুরুষ, যে দিনে চার থেকে পাঁচ কাপ কফি পান করে, তার গেঁটেবাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। চার কাপ বা ৪০০ মি.লি. গ্রাম কফি স্বাস্থ্যবান প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য নিরাপদ। তবে বেশি কফি পান করলে আবার অতিরিক্ত ‘ক্যাফেইন’জনীত জটিলতা যেমন মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি পোহাতে হবে, তাই সাবধান।

ওজন কমানো

অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনে হাজারও সমস্যা। ইউরিক অ্যাসিডজনীত সমস্যাও তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। স্থূলতার কারণে বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে। ফলে তা রক্ত থেকে ইউরিক অ্যাসিড পরিশোধন করে মূত্রের সঙ্গে বের করে দেওয়ার কাছে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে স্থূলকায় ব্যক্তির গেঁটেবাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় ১০ গুন।

২০১৭ সালে চিনের ৪,৬৭৮ জন ব্যক্তি, যাদের সবারই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি তাদের নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা যায়, দুই বছরের মধ্যে তারা ২২ পাউন্ডের বেশি ওজন কমাতে সক্ষম হলে তাদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে উল্লেখযোগ্য মাত্রায়। মধ্যবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রযোজ্য।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

যেসব ওষুধ সেবনের কারণে মূত্র উৎপাদন কমে সেগুলো স্বভাবতই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াবে। এক্ষেত্রে যারা নিয়মিত কোনো ওষুধ সেবন করেন তাদের চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে ওই ওষুধগুলো ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে কি-না।