ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য মাস্ক

চুল পরিচর্যায় কন্ডিশনার উপকারী। তবে গভীর থেকে চুল মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে চুলের প্রয়োজন উপযোগী মাস্ক।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য উপকারী মাস্ক সম্পর্কে জানানো হল।

চুল সতেজ করতে নারিকেলের মাস্ক: ‘স্টাইল’ করতে গিয়ে অনেক সময় গরম যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, যা চুলের ক্ষতি করে। এছাড়াও, বাইরের দূষণ চুলের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

এমন ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য প্রয়োজন নারিকেলের তেল, জলপাইয়ের তেল ও নানা রকম ভিটামিন তেল সমৃদ্ধ মাস্ক।

এমন মাস্ক তৈরি করতে একটা পাত্রে এক টেবিল-চামচ নারিকেলের তেল ও জলপাইয়ের তেল নিন। এতে তিন-চার ফোঁটা ভিটামিন এ এবং ই তেল মেশান।

মাস্কটি মাথার ত্বক বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ চুলে আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত মেখে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

মধু ও দইয়ের মাস্ক: সব ধরনের চুলের জন্য এই মাস্ক উপকারী।

এই মাস্ক তৈরি করতে দুই টেবিল-চামচ দই, এক টেবিল-চামচ গরম মধু ও এক টেবিল-চামচ জলপাইয়ের তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

সকল উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে মালিশ করে ব্যবহার করুন। ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করে মাস্ক ধুয়ে ফেলুন।

মধুর মাস্ক: প্রাকৃতিকভাবেই মধু উজ্জ্বল লম্বা চুল পেতে সহায়তা করতে পারে। ঘরে মধুর মাস্ক তৈরি করতে তিন টেবিল-চামচ মধু গরম পানিতে দিয়ে গলে যাওয়া অবস্থায় তার সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি মিশিয়ে নিন।

এরপর মাস্কটি মাথার ত্বক ও চুলে মেখে এক ঘন্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

আর্দ্রতা রক্ষাকারী নারিকেলের মাস্ক: নারিকেলের দুধ ও জলপাইয়ের তেল চুল মসৃণ করতে ও আর্দ্রতা রক্ষা করতে সহায়তা করে। ১/৪ কাপ নারিকেলের দুধের সঙ্গে আধা চা-চামচ জলপাইয়ের তেল মিশিয়ে নিন।

মাস্কটি মাথার চুলে আগা থেকে গোঁড়া পর্যন্ত মেখে আঁচড়ে নিন। ২০ মিনিট চুলে গরম তোয়ালে মুড়ে রাখুন। এরপর তা স্বাভাবিকভাবে চুল ধুয়ে ফেলুন।