শুভ জন্মদিন শাহনাজ পারভীন এলিস

বেসরকারি টিভি চ্যানেল বৈশাখীর নিজস্ব প্রতিবেদক শাহনাজ পারভীন এলিসের জন্মদিন ১২ সেপ্টেম্বর। শুভ জন্মদিন এলিস।

১৯৮১ সালের এ দিনে রাজধানী ঢাকার কচুক্ষেত এলাকায় শাহনাজ পারভীন এলিস জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার বেলদহ গ্রামে। বাবা মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুল হক আকন্দ ও মা শিরীনা আক্তারের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি ছোট।

এলিস ১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ১৯৯৭ সালে ঘাটাইলের জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৭ সালে এমএসসি সম্পন্ন করেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি ২০০২ সাল থেকে তিনি নাট্যদল ‘পালাকার’র নিয়মিত সদস্য হিসেবে নাট্যচর্চায় যুক্ত। তিনি ২০০৮ সাল পর্যন্ত নিয়মিত মঞ্চে অভিনয় করলেও বর্তমানে পেশাগত কারণে মঞ্চে অভিনয় করতে পারছেন না। মঞ্চে তিনি মানগুলা, তাইরালির বুকে মিজু মুন্সীর পাও, স্টুডিও প্রযোজনা প্রোজেক্ট হানড্রেড প্লাসসহ বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রযোজনায় অভিনয় করেন।

শাহনাজ পারভীন এলিস ছাত্রাবস্থায় ২০০০ সালে দৈনিক প্রাইম-এ সম্পাদনা সহকারী হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর কাজের ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০১ সালে দৈনিক সমাচার, ২০০২ সালে দৈনিক ভোরের কাগজ ও ২০০৫ সালে দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদনা সহকারী হিসেবে কাজ করেন। সংবাদে থাকাকালীন তিনি বিনোদন ও নগর পাতায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। ২০০৭ সালে রেডিও টুডেতে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন তিনি। এলিস ২০০৯ সালের এই দিনে (১২ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি টিভি চ্যানেল বৈশাখীতে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন। এখনো বৈশাখীতেই আছেন।

শাহনাজ পারভীন এলিস ২০১১ সালের ১৩ মে মো. আশিকুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্বামী সেলিম পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় তারা বসবাস করেন।

এলিস দ্য রিপোর্টকে জানান, তার পছন্দের রং সাদা-কালো। প্রিয় ফুল রজনীগন্ধা, বেলী ও গোলাপ। খেতে ভালবাসেন দেশীয় সব খাবার।

অবসরে গান শুনতে ভাল লাগে এলিসের। আর পেশাগত কারণে দেশ-বিদেশের খবরাখবর রাখতে হয় বলেই নয়- খবর দেখতে, শুনতে ও জানতেও ভাল লাগে তার। এছাড়া ঘুরে বেড়ানোর শখ আছে, কিন্তু সময়ের অভাবে সে সুযোগ মেলে না তেমন একটা।

জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন সম্পর্কে শাহনাজ পারভীন এলিস দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘ঘটা করে জন্মদিন পালনে আমার আগ্রহ কম। পারিবারিক সামান্য আয়োজনের মধ্য দিয়েই দিনটি কাটাব।’

Readers Comments (1)

  1. Saved as a favorite, І like your web site!

Leave a comment

Your email address will not be published.


*